বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
কৈলাশে ফিরে গেলেন মা দুর্গা: সৈকতে প্রতিমা বিসর্জনে লাখো মানুষের ঢল হিমছড়ি সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২ সৌদি আরবের মদিনা-পূর্বাঞ্চলে ৫টি ড্রোন ছুড়ল হুথিরা স্থানীয় নির্বাচন: বিদ্যমান আইনেই তফসিল, সুযোগ থাকছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উখিয়া ও টেকনাফে পৃথক অভিযানে ৪ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৪ আমার নামে মামলা দেন, নিজে গিয়ে জেলে যাব: ইশরাক বাস-ট্রাক সং’ঘ’র্ষে নি’হ’ত ১৪, পরিচয় মিলেছে ৯ জনের অবশেষে বাতিল তৃতীয় শ্রেণির ল্যাব সহকারী ফারুকের ডিলার মহেশখালীতে সারের সব ডিলার এমপি আলমগীর ফরিদ ‘বিএনপি পন্থী’, তৃণমূলজুড়ে চরম অসন্তোষ উখিয়ার সোনাইছড়িতে ছুরিকাঘাতে যুবক আহত

কোরবানির সময়েও পেঁয়াজ রসুন আদার মুল্য নিম্নমুখী

বশির আলমামুন:
পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ সন্নিকটে। এসময় মানুষ ব্যস্ত হয়ে পড়ে পশু কোরবানির উপকরণ মসল্লাপাতি নিয়ে। তাই প্রতিবছর পেয়াজ, রসুন, আদাসহ মসল্লার বাজার থাকে সরগরম। কিন্তু এবার কোরবানির সময় ঘনিয়ে আসলেও দেখা গেছে ব্যতিক্রম।

গত তিন সপ্তাহ ধরে স্থিতিশীল রয়েছে পেঁয়াজের দাম। কমতির দিকে রয়েছে আদা-রসুনের দামও। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দুই সপ্তাহ পরে কোরবানির ঈদ। অথচ বাজারে এর কোনো প্রভাব নেই। অজানা কারণে পেঁয়াজ, রসুন ও আদার চাহিদা কমে গেছে, যা একদম অস্বাভাবিক। এমনকি স্বাভাবিক দিনেও এখনকার চেয়ে বেশি বেচাকেনা হতো।

চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহে স্থল বন্দরগুলো দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি বেড়েছে। বর্তমানে খাতুনগঞ্জে প্রতিদিন ১৫-২০ ট্রাক পেঁয়াজ আসছে। তবে যে পরিমাণ সরবরাহ রয়েছে সে পরিমাণ বেচাকেনা নেই। বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২২ টাকায়। এছাড়া রসুনের দাম গত এক সপ্তাহে কেজিতে ১০ টাকা কমে গিয়ে ৬০ টাকা এবং আদার দাম ১৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকায়।

খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছরের শেষ দিকে ভারত রপ্তানি বন্ধ করে দিলে দেশের বাজারে কয়েক দফায় পেঁয়াজের দাম ডাবল সেঞ্চুরি পেরিয়ে যায়। এছাড়া রমজানে আদা বিক্রি হয় কেজি ৩৫০ টাকায়। একইভাবে চড়া ছিল রসুনের বাজারও। রসুন বিক্রি হয় প্রায় ২শ টাকার কাছাকাছি দামে। তবে সামপ্রতিক সময়ে ভারত থেকে প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ, চীন থেকে আদা ও রসুন আমদানি বেড়ে যায়। তাই এসব পণ্যের দামও কমতির দিকে রয়েছে।
খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মিয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, গত তিন সপ্তাহ ধরে বাজারে ক্রেতা নেই। অথচ সামনে কোরবানির ঈদ। এবারের মতো খারাপ অবস্থা আর কখনো হয়নি। প্রত্যেকটি দোকান গুদামে পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, আমাদের দেশে ভোগ্যপণ্যের বাজার প্রায় সময় ব্যবসায়ীদের ইচ্ছের ওপর নির্ভর করে। ক্রেতাদের একপ্রকার জিম্মি করে ইচ্ছেমতো দাম ওঠানামা করান তারা। এখন কমতির দিকে থাকলেও ক’দিন পরে দেখা যাবে কোনো একটা অজুহাত দাঁড় করিয়ে ফের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে আমরা বারবার বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়ে আসছি। অনেক সময় খুব বেশি দাম বাড়লে প্রশাসন বাজার মনিটরিংয়ে নামে। কিন্তু নিয়মিত বাজার মনিটরিং হয় না

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION